RSS

Festival of Lights

Wish you a happy and prosperous DEEPAVALI . May the festival of lights fill your life with the glow of happiness and the sparkle of joy.

 
 

Tags: , , , ,

Happy Durga Puja

 
Leave a comment

Posted by on 07/10/2019 in Festival of India

 

Tags: , ,

ঘুমন্ত দৈত্যকে খুঁচিয়ে তোলা

This is the Bengali Version (not word by word) of my previous post ” The ghost of a Creek – Behind the Bowbazar disaster”

শহরের তলায় আজও পলি আর লুকোনো জলখাত
কয়েক কিলোমিটার নীচেই ছড়িয়ে আছে ভূমিকম্পপ্রবণ স্তর। বালি-কাঁকরে ভরা পলিমাটি ভূমিকম্পে হয়ে উঠতে পারে চোরামাটি, জলখাত গ্রাস করে নিতে পারে জনপদ। বৌবাজারে যেমনটা হল।
🏙️🏞️🏙️🏞️🏙️🏞️🏙️🏞️🏙️🏞️🏙️🏞️
সৌজন্যে : ঋজু বসু, আনন্দবাজার পত্রিকা (২২/০৯/২০১৯)

মরমিয়া কবি বলেছিলেন, ‘ঘরবাড়ি ভালা নয় আমার’। বৌবাজারের অভিশপ্ত গলির ঘরহারা বাসিন্দারা তা এখন টের পাচ্ছেন। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সুড়ঙ্গ বিপর্যয় তবু সময় দিয়েছিল মৃত্যুগুহা থেকে বেরোনোর। কলকাতার মাটির তলার দৈত্যের নড়াচড়া ইডেন গার্ডেন্সের ভরা স্টেডিয়াম বা পার্ক স্ট্রিটের নিশ্চিন্ত নৈশভোজের ছন্দও নিমেষে টালমাটাল করতে পারে।

প্রেমেন্দ্র মিত্র লিখেছিলেন, ‘আমার শহর নয়কো তেমন বুড়ো/ অতীতকালের অস্থি, মুদ্রা, চৈত্য, বিহার কিছু/ পাবে না তার কোথাও মাটি খুঁড়ে’। ইতিহাসবিদ থেকে প্রত্নতত্ত্ববিদরা এই সে দিন পর্যন্ত কলকাতার অতীতের সীমানা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে বাঁধতে চেয়েছেন। ইংরেজ আমল, বড়জোর তার আগের জমিদারি-পর্ব— এর মধ্যেই যেন আটকে শহরটার অস্তিত্ব। বৌবাজারের মাটি ধসে যাওয়ার সূত্রে এ বার কলকাতার মাটির নীচের আদিম ইতিহাস-ভূগোলও গা-ঝাড়া দিচ্ছে।

গঙ্গার বদ্বীপ অঞ্চলের ভূখণ্ড যে কত বার ডুব দিয়েছে আর ভেসে উঠেছে তার ইয়ত্তা নেই। পৌনে তিন শতক আগেও জলজ্যান্ত গঙ্গার একটি খাঁড়ির গল্প ফের জেগে উঠছে। চাঁদপাল ঘাট থেকে হেস্টিংস স্ট্রিট (আজকের কিরণশঙ্কর রায় রোড), ওয়াটারলু স্ট্রিট, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট, প্রিন্সেপ স্ট্রিট হয়ে ধর্মতলার উত্তর ছুঁয়ে ক্রিক রো বেয়ে সল্টলেক অভিমুখী ছিল সেই খাল। যা পরে বিদ্যাধরীতে মিশে যায়। বিদ্যাধরীও এখন মজে গিয়েছে। একমাত্র বেলেঘাটা খাল সেই স্রোতের অংশ। ইতিহাসবিদেরা অনেকেই একমত নন, তবে কলকাতার রাজপথের খুঁটিনাটির ইতিহাসকার পরমেশ্বরন থনকপ্পন নায়ারের মত, এই ‘খাল কাটা’ থেকেই কলকাতা নামকরণ। ১৭৩৭ সালের এক ভয়াল ভূমিকম্প ও ঘূর্ণিঝড় সেই খালের বড় অংশ প্রায় বুজিয়ে ছাড়ে। সন্দেহ, মেট্রোর সুড়ঙ্গ কলকাতার পাতালঘরে সেই সুপ্ত নদীখাতকেই জাগিয়ে তুলেছে। ভূমিকম্পবিদেরা বলেন, শুধু এক জায়গায় নয়, কলকাতার বুকের তলার আদিম জলের ভাঁড়ার কোনও জোরালো অভিঘাতে জ্যান্ত হয়ে অন্যত্রও পায়ের তলার মাটি সরাতে পারে।

অনেকে মনে করেন, ১৭৩৮-এর জুনে বিলেতের ‘লন্ডন’ ম্যাগাজ়িনে ঝড়, ভূমিকম্প, বন্যায় ধ্বস্ত কলকাতার সঙ্গে জেরুসালেমে জিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার ভূমি গলগথার তুলনা করা হয়েছিল। তার আগের বছর ১১ অক্টোবরের বিপর্যয়ের যা ফিরিস্তি উঠে আসে, তার পাশে কলকাতার ইতিহাসের যে কোনও দুর্যোগস্মৃতি প্রায় শিশু। সে কালের কলকাতার জনসংখ্যার নিরিখে লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু নিয়ে তর্ক আছে। তবে আজকের মহাকরণের রোটান্ডার জায়গায় শহরে ব্রিটিশদের আদি গির্জা সন্ত অ্যানের চার্চ চুরমার হয়ে যায়। তখন দোর্দণ্ডপ্রতাপ গোবিন্দরাম মিত্রের আমল। কুমোরটুলিতে সেই গোবিন্দরামের মন্দির বা ব্ল্যাক প্যাগোডার মূল পঞ্চরত্ন চুড়ো ওই ঝড়েই ভেঙে পড়ে। তার ভগ্নাংশটুকু আজও টিকে আছে। অক্টারলোনি মনুমেন্টের থেকেও নাকি উঁচু ছিল তা!

জলোচ্ছ্বাসে ব্রিটিশ-ওলন্দাজ-ফরাসিদের ভাসমান জাহাজগুলির দফারফা হলেও জোব চার্নকের সমাধিসৌধ ও আজকের রাইটার্স বিল্ডিংস-এর মধ্যবর্তী পরিসরের খালটি পলিতে ঢাকা পড়ে যায়। তখনকার গঙ্গা ছিল প্রায় আজকের নব মহাকরণ অবধি বিস্তৃত। তাও প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পেরিয়ে তার খাঁড়িটি ধরে একটি বড় বার্জ ক্রিক রো এলাকার খালে আটকে পড়ে। ঠিক কী ভাবে কোন স্রোত ধরে গঙ্গা থেকে এত ভিতরে বার্জটা এসে পড়ল তা নিয়ে কলকাতা-বিশারদেরা কেউ কেউ সন্দিগ্ধ। কিন্তু আঠেরো শতকে মার্ক উড ও বেলি বা অ্যারন আপজন-এর করা কলকাতার মানচিত্রে ওই তল্লাট স্পষ্টত ‘ডিঙাভাঙা’ বলেই আখ্যা পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মত, ভূমিকম্পের দাপটে এই ওলটপালট অসম্ভব নয়। ২০১১- ২০১৬, পাঁচ বছর ধরে কলকাতার পেটের ভিতরে ‘গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রেডার’ সমীক্ষা চালিয়েছিলেন আইআইটি খড়্গপুরের ভূতত্ত্ববিদ এবং ভূপদার্থবিদেরা। তাতেই শহরের ভূমিকম্প-প্রবণতার মানচিত্র উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞ দলের নেতা, ভাটনগর পুরস্কারজয়ী বিজ্ঞানী শঙ্করকুমার নাথের চোখে, ‘‘কলকাতার জমির নীচে ৪-৫ কিলোমিটার পুরু পলিস্তর। তার পরে অজস্র ‘প্যালিয়ো চ্যানেল’ বা সাবেক জলখাত। তার সঙ্গে শহরের সাড়ে তিন কিলোমিটার নীচেই দুই বাংলাকে জুড়ে ভূমিকম্পপ্রবণ কলকাতা-ময়মনসিংহ হিঞ্জ জ়োন।’’ চিড় ধরলে যা সব টলিয়ে দেবে। রিখটার স্কেলে ৬.১ থেকে ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প এ শহরে ঘটার সম্ভাবনা।

ভূমিকম্পে জলের পকেটগুলি ফাটলেও গাঙ্গেয় বালি-কাঁকরে ভরা পলিমাটি নরম কাদার তাল হয়ে উঠতে পারে নিমেষে। মাটি তখন চোরামাটির স্তর। যেমনটা বৌবাজারের সেকরাপাড়া বা দুর্গা পিতুরী লেনের বাড়িগুলোর নীচে ঘটেছে। কলকাতার বুকের ভিতরে জলখাতের উপস্থিতির নিরিখে ডিঙাভাঙার পুরনো খালের মুখে ইডেন গার্ডেন্সের নীচেও এমন বিপজ্জনক ভূস্তর। বৌবাজারের মতোই বিপজ্জনক পরিস্থিতি পার্ক স্ট্রিট, পার্কসার্কাস, নিকো পার্ক, সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউন, বেলগাছিয়াসুদ্ধ বহু তল্লাটেই। শ্যামবাজার, যাদবপুর, বেহালা, কালীঘাট-সহ কলকাতার বহু এলাকাই নিরাপদ নয়।

প্রখ্যাত অতীত-সংগ্রাহক নির্মলচন্দ্র কুমারের পুত্র, কলকাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশনস বিভাগের শিক্ষক অলোক কুমারের সংগ্রহে কলকাতার ভূগর্ভ নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে জমা পড়া ১৯০৫-এর রিপোর্টও কলকাতার হৃদয়-খোঁড়াখুঁড়ি নিয়ে সাবধান করছে। উনিশ শতকে লন্ডনে মাটির তলায় রেললাইন পাতার পরে ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞেরা কলকাতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। শহরের নীচে বিপজ্জনক নরম পলি ও অন্তঃসলিলা খালের আঁকিবুকি নিয়ে তখনই শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
বৌবাজারের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যাওয়া সেকরাপাড়া লেন বা দুর্গা পিতুরী লেনকে বাঁয়ে রেখে হিদারাম ব্যানার্জি লেন ধরে মিনিট দশের হাঁটাপথ ক্রিক রো। নামেই মালুম, বিস্মৃত খালের স্মারক। আশি বছর আগে কলকাতা পুরসভা নাম পাল্টে রাজা সুবোধ মল্লিকের নাম বসাতে গেলে এলাকাবাসী রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। পুর কর্তৃপক্ষকে লেখা প্রতিবাদপত্রে ইতিহাসের নানা নথি পেশ করে তাঁরা বলেন, শহরের একটি প্রাচীন নৌপথের ইতিহাস মুছে দেওয়া যাবে না। লোকবিশ্বাস, লখিন্দরের শব নিয়ে বেহুলাও ওই খাল ধরে ভেসেছিলেন। আবার কলকাতার চালু মেট্রোরেলের লাইনের নীচে গড়িয়া-বৈষ্ণবঘাটা লাগোয়া আদিগঙ্গার খালকেও বেহুলার ভেসে চলার গাঙুর বলে মনে করেন অনেকেই। আজ পোশাকি নাম অন্য হলেও, লোকমুখে রয়ে গেছে ‘ক্রিক রো’ নামটাই। সেই পাড়াতেই এক মানুষ চওড়া গলি জেলিয়াপাড়ায় কথা হচ্ছিল অতনু ওঝা, সৌভিক গুণিনদের সঙ্গে। কারও শিয়ালদায় মাছের আড়ত, কেউ নিউমার্কেটের কারবারি। অতনু ক্যালকাটা ভেটকি-র ডাকসাইটে জোগানদার বি সি ওঝার পরিবারের এক জন। ট্যাংরার ‘গোল্ডেন জয়’, ‘বিগ বস’-এর ভেটকি-গরিমার পিছনেও তাঁদের হাতযশ।

অলোকবাবুর কাছে শুনেছি, নির্মলচন্দ্রের সংগ্রহের পুরনো বটতলার বইয়ে আবার এ তল্লাটের বৌরানির খাল ঘিরে নানা গালগল্প। ১৮৪০-এ প্রকাশিত ‘নটী এল নৌকা’য় গল্প জুড়েও বৌরানির খাল। কারও কারও অনুমান, এটাই ক্রিক রো বা ডিঙাভাঙা খাল। ১৭৩৭-এর বিপর্যয়ের পরেও টিকে ছিল তা। বোজানোর সিদ্ধান্ত হয় ভিক্টোরিয়ার আমলে। যখন শহরে সদ্য মাটির তলার নর্দমার লাইন তৈরি হচ্ছে, রেললাইন বসছে শিয়ালদহে। বৌবাজারের জনপদও তখন সুপরিচিত। পলাশির যুদ্ধের পরে কোম্পানির নতুন গড়ের ঠিকাদার, নুনের কারবারের দাপুটে দেওয়ান দুর্গা পিতুরীর ভাগ্নে বিশ্বনাথ মতিলালের এক বিধবা বৌমার নামেই বৌবাজারের নামমহিমা। পুরনো কলকাতাপ্রেমী মহলেও সন্দেহ, ডিঙাভাঙার ঘাট বা খালের সঙ্গে পরে সেই বৌরানিটির পরিচিতিও মিশেছে।

নিউটাউনে ফ্ল্যাট কিনেছেন ভূতত্ত্ববিদ শঙ্করবাবু। পেটের ভিতরে জলের ভাঁড়ার নিয়ে ভূমিকম্পের বিপদে যে পাড়ার নাম সামনের সারিতে। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, মাটির তলায় বিপদ বেশি থাকলে বাড়ির ভিত গড়ায় বাড়তি জোর দিতে হবে। পাইলিংয়ের সময়েই মাটির গলে যাওয়ার সম্ভাবনা রুখতে হবে। ‘‘মাটির নীচের সুড়ঙ্গই হোক বা মাটির উপরের বহুতল, জলস্তর কতটা নীচে— খেয়াল রাখতে হয়। সাবধানের মার নেই, তাই মাটি থেকেই জলস্তর শুরু ধরে নিয়ে কাজটা করা উচিত। এটাই দাওয়াই,’’ বলছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক গুপিনাথ ভাণ্ডারী।

বৌবাজারে হিদারাম ব্যানার্জির গলি দিয়ে দুর্গা পিতুরী লেনের ভিতর দিকে দাঁড়ালে এখনও অদূরে গ্রাউটিংয়ের কাজের শব্দ। হলুদরঙা বাড়িটার ফলকে কষ্ট করে পড়া যায় ‘বাবু বিস্‌সোনাথ মতিলাল’-এর নাম। পরিবারের অষ্টম প্রজন্ম, এমএসসি পড়ুয়া অর্ক মতিলাল দেখান, পাশের বাড়িটাই দুর্গা পিতুরীর ঠাকুরদালান। ‘‘মাটির তলার খালটা বোধহয় পাশের সেকরাপাড়া বা গৌর দে লেনের নীচেই পড়েছিল, তাতেই অঘটন,’’ অর্কের অনুমান। তবে দুর্গা পিতুরী লেনে দে, শীল, জয়সোয়ালদের বাড়ি পর পর ধসে পড়লেও মতিলালদের বাড়িতে আঁচড় পড়েনি।

ধ্বংসস্তূপের গা ঘেঁষেই দুর্গা পিতুরীর দালানে এখন দুর্গাপুজোর তোড়জোড় মতিলালদের। তবু খুশিতে কোথাও তাল কাটছে। এমন হবে কে-ই বা ভেবেছিল! লোককথা থেকে শুরু করে এত পুরনো মানচিত্রের ছড়াছড়ি, তবু বৌবাজারের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার সময়ে খালটাকে কেউ খেয়ালই করল না?

CREEK

Boubazar021900 সালের বৌবাজার। ওপরে ১৭৫৬ সালে গঙ্গার খাঁড়ি বা খাল বা  ক্রিক (CREEK)। কাছেই জব চার্নকের সমাধি। ছবি  নির্মলচন্দ্র কুমারের সংগ্রহ থেকে।   ABP 22.9.19

 
Leave a comment

Posted by on 22/09/2019 in Uncategorized

 

Tags: , , , , ,

The Ghost of a Creek, behind the Bowbazar disaster

The following article is worth reading to understand the reason of East-West Metro Rail excavation disaster in Bowbazar area of Kolkata, where a number of houses just crumbled one after another and still continuing. Experts are not able to pin point the reason for crumbling houses in this area only. This article throws light on the old maps of early days of British Calcutta and what was there underneath the present Bowbazar area. It also inform us how Calcutta name arrived and city was named as Calcutta by the British. The article “The Ghost of a Creek” is written by Mr Alok Kumar, a former marketing and communications expert from ABP group.)
==============================
The Ghost of a Creek

The Metro tunnel hitting an aquifer, a body of permeable rock which can contain or transmit groundwater, and the whole area of Bowbazar slowly crumbling, raises the ghost of a creek which has been lying dormant for centuries.

But this is not something that is unknown. I retrieved several maps of old Calcutta to check. The most significant maps are the one by Colonel Mark Wood in 1784-85 and the map of Calcutta and its Environs by A Upjohn in 1792-93. Going through these maps I found that a creek existed long back in the area where there is devastation.

The creek used to meander from the Hooghly at places between Chandpal Ghat and Babu Ghat, Hastings Street (Kiran Shankar Roy Road) and passed through Waterloo Street, Prinsep Street, Wellington Square, Creek Row, Sealdah and Beliaghata to Salt Lake in the east. It is this Creek that gave Creek Row its name, now Nilratan Sarkar Sarani.

Significantly, the creek was a navigable channel till 1737 for even big barges, as mentioned by Cotton in his monumental work, Calcutta, Old and New; A Historical & Descriptive Handbook to the City. In the absence of proper roads, riverine routes were convenient for the British East India Company officials to venture out of Old Fort William, which was built where the GPO stands today. In fact, British officials excavated the creek for further navigability. According to Kolkata chronicler P T Nair, the name of the city originated from the word ‘Khal-Kata’, ( খাল কাটা ) or creek excavation.

When the great tropical cyclone struck the city on October 11, 1737, it left an incredible trail of death and destruction. It destroyed the city’s first British church, St Anne, which was where the rotunda of the Writers’ Buildings is located. The storm winds, as reported in the East India Company documents, were felt 60 leagues (200 miles or 333km) inland and thousands of vessels were sunk. A big barge was blown nearly 4km into the creek, beyond the spot where Wellington Square, now known as Raja Subodh Mallik Square, today stands. Because of the wrecked barge, which was stuck there for quite a long time, the area used to be called Dingah Bhanga, loosely translated as broken barge. To identify the place where the barge was wrecked, the lane adjacent to the place was named Dingah Bhanga Lane. It was subsequently renamed Wellington Lane and now Raj Kumar Bose Lane.

It was the cyclone that sounded the creek’s death knell. The storm caused the creek to silt up. The stretch of Hastings Street was first filled up. But the Creek Row stretch remained a creek for a little longer, though the water flow stopped, since the gradient of the city is west-to east. “The old bed of the creek remained, long after the closing of its connection with the river had deprived it of its stream, and turned it into a ditch, which served to carry off the surface drainage. It was into this ditch, at what is now Wellington Square, that the sewers discharged their contents,” wrote Kathleen Blechynden in her ‘Calcutta Past and Present’ (1905).

Memories of the creek echo in local folklore and, especially names of places like Jelepara Lane, Jele is Bengali for fisherman, Sareng Lan, Sareng is the steward of a barge and Kaibartya Samaj, the society of fishermen. Jeleparar Sanga, fishermen’s group has remained alive for centuries. People in these areas recall that their forefathers used to catch fish and sell them at Janbazar and Fenwick Bazar. Their livelihood was dependent on the creek. But when the creek ceased to exist and they also changed their way of earning. For the last hundred years, none of them are engaged in fishing, but their customs remained those of fishermen, particularly many of their marriage ritual.

There are many Bot Tala literature which recounts residents in courtyards with flights of stairs where people could embark from a boat. Over the years, these have gone. But finding parts of boats during foundation work of buildings is not uncommon here. There are limericks and wood block prints on the subject.

But Creek Row was not only an area where fisherman and boatman resided. It also became a hub of nationalist movement in the pre-Independence era. It had the office of Bande Mataram, the nationalist newspaper edited by Aurobindo Ghosh. But the heart of the nationalist movement was more nearby at 12, Wellington Square, the majestic mansion of Raja Subodh Mallik. Aurobindo lived in this house till his arrest. Leaders like Subhas Bose, Bal Gangadhar Tilak, Mahatma Gandhi, and luminaries like Rabindranath and Nazrul used to come to visit this house.

In time, Creek Row also became a metaphor for academic and cultural excellence. Creek Row was the Harley Street of London, which has been noted since the 19th century for its large number of professionals, including specialists in medicine, surgery and other professionals. Right from eye surgeon Nihar Munshi to paediatrician Kshirode Chaudhury, the younger brother of Nirad C Chaudhury, they all used to live here. If you go back a little further, Dr Mahendra Lal Sarkar, the first Indian MD, lived nearby. Iswar Chandra Vidyasagar used to frequent Creek Row to discuss homoeopathy with Rajen Dutta, who is considered to be the father of Indian homoeopathy. Rajen Dutta was also the grandson of Akrur Dutta, a key merchant with the East India Company. Even Mother Teresa lived for a while at Creek Lane, off Creek Row, after she left Loreto House.

But everything bearing that history is being destroyed after the mammoth tunnel-boring machine hit the unmapped aquifer. Now the history of the creek and waterbodies of Bowbazar, where the subsidence happened, has suddenly assumed serious significance. The old maps of the city shows that all the houses are sitting right on top of the erstwhile creek.

I doubt whether Kolkata Metro Rail Corporation (KMRC), the executing agency of the East-West Metro, consulted the old maps to understand the situation below the surface. The accident has woken up the ghosts of a stream that once flowed through the heart of the city.

It is interesting to note that the history of the London Underground began in the 19th century with the construction of the Metropolitan Railway, the world’s first underground railway. The Metropolitan Railway, which opened in 1863 using gas-lit wooden carriages hauled by steam locomotives, worked with the District Railway to complete London’s Circle line in 1884. In 1905,the British Parliament requested The Advisory Board of Engineers co-opted with The Royal Commission of Traffic to look into the possibility oif laying an underground railway network , in the second capital of the British Empire, Calcutta. Acting on this view , the Board embodies in the Report that : Calcutta is built on dangerous sloppy silt, with a very occasional thin bed of poor remains of carbonaceous clay and creeks running within the city, making it hazardous to build an underground railway. Quote from : The Condition, Improvement and Town Planning of the City of Calcutta and Contiguous Areas. The Richard Report. By E P Richard.

Kolkata’s biggest infrastructure undertaking in decades, the East-West Metro project estimated at Rs 8,575-crore has been thrown off track because a tunnel-boring machine hit an aquifer. That is why tunnelling 13 metres below the bed of the Hooghly was a cakewalk, compared with negotiating this site where the creek used to flow, allowing water ingress or permeability. When a body of water is filled up, the formation of underground water table can be highly fragmented and deceptive. The precarious geology of the Bowbazar area because of huge water flow points at the creek, which may be buried deep underneath the surface.

But what really tripped up this behemoth is the ghosts of the city’s past that few people remember now. The first clue lies in the name of a short road in an old part of the city: Creek Row. The stream that gave Creek Row and its extension Creek Lane its name may be long gone, but scratch below the surface, and it’s very much there. You can obliterate a canal or tank by filling it up, but you can hardly erase their underground imprints.

And with it now the over ground history . With the tunnel, a part of Calcutta will go buried. What a shame. If only we had consulted old maps to know what lay beneath.

Acknowledgement :” The Ghost of a Creek” by Mr Alok Kumar, a former marketing and communications expert from Ananda Bazar Patrika group.)

 

 
10 Comments

Posted by on 11/09/2019 in Creek, Uncategorized

 

Tags: , , , , , , , , ,

খেজুর গুড়ের সন্দেশ

আমার পড়া শ্রেষ্ঠ দাম্পত্য সম্পর্কের গল্প।

মূল গল্পটির নাম ‘খেজুর গুড়ের সন্দেশ’ । লেখক সুরসিক খ্যাতনামা সাহিত্যিক প্রয়াত তারাপদ রায়।

মহীতোষবাবু বিবাহোত্তর বাকী জীবন সব বাঙালি পুরুষের মতনই স্ত্রীর ভয়ে সন্ত্রস্ত ছিলেন । টিপে টিপে , মেপে মেপে চলতেন । কীসে কী দোষ হয় গাফিলতি হয় কিছুই অনুমান করতে না পেরে দুরুদুরু বক্ষে সদাসর্বদা স্ত্রীর হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতেন।

যা হোক এই মহীতোষ বাবু এখন মৃত্যুশয্যায়। ডাক্তার পরীক্ষা নীরিক্ষা করে গম্ভীর মুখে চলে গেছেন – এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
আশ্চর্য ব্যাপার হল এই যে তাঁর জ্ঞান, বুদ্দি সব টনটনে আছে উপরন্তু ঘ্রাণশক্তিটা মনে হয় বেড়ে গেছে ।
এরপর তারাপদ বাবুর সুরসিক ভাষায় ” এমন সময়ে অন্য একটি সুঘ্রাণ এসে তাঁকে চনমনে করে তুলল। খেজুরে গুড়ের পাকের গন্ধ।দুয়েকবার শুঁকে তিনি তাঁর মাথার কাছে দাঁড়ানো মেয়ে অনুকণাকে বললেন, ‘রান্নাঘরে তোর মা বোধ হয় খেজুরে গুড়ের সন্দেশ বানাচ্ছে ?’ অনু বলল, ‘ হ্যাঁ ঠিকই তাই।’
মৃত্যুমুখী মহীতোষবাবু কেমন প্রলুব্ধ হয়ে পড়লেন, মেয়েকে বললেন, ‘দ্যাখ তোর মা তো সারাজীবন আমাকে ভাল-মন্দ কিছুই খেতে দেয়নি। আজ যা তো, রান্নাঘর থেকে দুটো সন্দেশ নিয়ে আয়, মরার আগে খেয়ে যাই।’
মেয়ে মাকে ভালই চেনে। একটু দোনামনা করে সে রান্নাঘরে গেল এবং সঙ্গে সঙ্গে মুখ কালো করে ফিরে এল।
মহীতোষবাবু মেয়েকে বললেন, কীরে, সন্দেশ কী হল ?’

মেয়ে বলল, ‘ মা দিল না। ও সন্দেশগুলো শ্মশানবন্ধুদের জন্য বনানো হচ্ছে। তুমি মারা যাওয়ার পরে তোমাকে পুড়িয়ে ফিরে সে তারা ওই সন্দেশগুলো খাবে । ওর একটাও তোমার জন্য নয়।
(A short story by wellknown Bengali writer late Tarapada Roy is shared herewith.)

 
Leave a comment

Posted by on 24/11/2018 in story

 

Tags: , , ,

Happy Deepavali

 
4 Comments

Posted by on 07/11/2018 in Uncategorized

 

Durga puja

Durga puja

 
Leave a comment

Posted by on 19/10/2018 in Durga puja, Uncategorized

 
 
%d bloggers like this: